Health Tips in Bangladesh – Expert Guidance from Doctor Dorkar
Doctor Dorkar provides trusted health tips in Bangladesh to help people live healthier lives. From daily habits like drinking safe water, eating balanced meals, and exercising regularly to seasonal care against dengue, flu, and heatstroke, these tips are designed to prevent diseases and promote well-being. Nutrition advice, mental health care, and emergency preparedness are also emphasized, ensuring a complete approach to health. By following these expert tips, individuals and families can stay healthy, strong, and protected throughout the year.
Health Tips
বুকে ব্যথা গ্যাস্ট্রিকের নাকি হার্ট অ্যাটাকের তা বুঝবেন কিভাবে? জেনে নিন
হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণসমূহ
- হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে ব্যথার পাশাপাশি কাঁধে, পিঠে ও চোয়াল ব্যথা হতে পারে।
- সাধারণত বুকের মাঝখানে ব্যথা শুরু হয়ে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যায়। এমনকি বুকের যেকোনো পাশে ব্যথা হতে পারে।
- হাতে ব্যথা বা শিনশিন ভাব অনুভূতি হতে পারে, এমনকি পেটের উপরিভাগে জ্বালাজ্বালা অনুভব বা ব্যথাও হতে পারে।
- অতিরিক্ত ঘাম ও বমি হওয়া।
- অল্প পরিশ্রমে বা পেট ভরে খাবার গ্রহণের পর বুকে চাপ/ভাব অনুভব হতে পারে।
- বুকে চাপ ধরা, শ্বাসকষ্ট অনুভব হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ হতে সুস্থ থাকতে করণীয়।
- নিয়মিত ৩০ মিনিট হাঁটার এবং ব্যায়ামের অভ্যাস করা উচিত।
- ধুমপান ত্যাগ করতে হবে।
- খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শর্করা বা চর্বি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।
- নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।
- ৪০ এর ঊর্ধ্বে বয়স্কদের ক্ষেত্রে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।
Health Tips
গর্ভকালীন অবস্থায় ৫টি বিপদ চিহ্ন
1. হঠাৎ রক্তস্রাব শুরু হওয়া
গর্ভাব প্রসবের সময় বা প্রসবের পর খুব বেশি রক্তক্ষরণ হওয়া বা গর্ভফুল না পড়া।
2. উচ্চ রক্তচাপ/খিচুনি হওয়া
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ হওয়া এবং গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের সময়/প্রসবের পর খিচুনি হওয়া।
3. তলপেটে তীব্র ব্যথা
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে (তিন মাসের মধ্যে) তলপেটে তীব্র ব্যথা, রক্তক্ষরণ বা পেট শক্ত হয়ে যাওয়া।
4. বিলম্বিত প্রসব
প্রসবব্যথা ১২ ঘণ্টার বেশি হওয়া।
5. অস্বাভাবিক প্রসব
প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ বের হওয়া।
বিশেষ কিছু সতর্কতা
- গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর তিন দিনের বেশি জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব বিপজ্জনক। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় যদি কেঁপে কেঁপে ভীষণ জ্বর আসে এবং প্রস্রবের সময় জ্বালাপোড়া হয়।
- গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের সময় বা প্রসবের পর যদি মায়ের শরীরে বেশি পানি আসে, খুব বেশি মাথা ব্যথা করে বা চোখে ঝাপসা দেখায়।
- গর্ভাবস্থায় সাধারণত মা ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করেন। পেটের ভেতর বাচ্চা ঘুমায় ও খেলা করে, যার অনুভূতি মা বুঝতে পারেন। বাচ্চার অধিক নড়াচড়া বা কম নড়াচড়া দু'টিই ক্ষতিকর।
- তাই গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩৬ সপ্তাহে ন্যূনতম প্রতিমাসে একবার এবং ৩৬ সপ্তাহের পর প্রতি সপ্তাহে একবার করে মাকে ডাক্তার দেখানো উচিত।
5 Danger Signs During Pregnancy
1. Sudden Bleeding
Heavy bleeding during pregnancy, childbirth, or after delivery, or when the placenta does not come out.
2. High Blood Pressure / Convulsions
High blood pressure during pregnancy and convulsions during pregnancy, delivery, or after childbirth.
3. Severe Abdominal Pain
Severe abdominal pain, bleeding, or tightening of the abdomen in the early months of pregnancy (within the first three months).
4. Prolonged Labor
Labor pain lasting more than 12 hours.
5. Abnormal Delivery
During childbirth, if any part of the baby other than the head comes out first.
Special Precautions
- Having a fever for more than three days after childbirth or experiencing foul-smelling discharge is dangerous. Especially if there is severe shivering fever during pregnancy and burning sensation while urinating.
- If, during pregnancy, delivery, or after childbirth, the mother has excessive swelling, severe headache, or blurred vision.
- Normally, a mother feels the baby’s movement between 16 to 20 weeks of pregnancy. The baby sleeps and plays inside the womb, and the mother can feel it. Too much movement or too little movement of the baby can both be harmful.
👉 Therefore, during pregnancy, a mother should see a doctor at least once a month up to 36 weeks, and after 36 weeks, once every week.
Health Tips
Peripheral Arterial Disease (PAD)
আপনি কি নিচের কোনো উপসর্গে ভুগছেন?
- শারীরিক ক্রিয়াকালাপের সাথে পায়ে ব্যাথা যেমন হাঁটার সময় ব্যথা, যা বিশ্রামের পরে ভালো হয়ে যায়
- ত্বকের রঙের পরিবর্তন (যেমন লালচে ভাব)
- বিশ্রামকালীন সময়ে পায়ের আঙুলে ব্যথা অনুভব করা ও পায়ে জ্বালা করা
- পায়ের ত্বক শীতল হওয়া
- পায়ে প্রায়ই ত্বক এবং নরম টিস্যু সংক্রমণ হওয়া
- পায়ের পাতা বা আঙুল ফুলে যাওয়া ও তা সহজে ভালো না হওয়া
- পায়ের গোড়ালি বা আঙুলে ব্যথা (বিশেষ করে রাতে বা হাঁটার সময়)
- পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ অনুভূতি
- পায়ে ঘা বা ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD)
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ হল এমন একটি অবস্থা যেখানে ধমনী সরু হয়ে বাহু বা পায়ে রক্ত প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। PAD কে Arteriosclerosis Obliterans (ASO)ও বলা হয়। এটি প্রাথমিক ভাবে ধমনীতে ফ্যাটি প্লেক তৈরির কারণে ঘটে, যাকে এথেরোসক্লেরোসিস বলা হয়।
পায়ে রক্তে প্রবাহের সীমাবদ্ধতার কারণে এই উপসর্গ গুলো দেখা দিতে পারে। যদি সময়মতো এই অবস্থার চিকিৎসা না করা হয় তবে আপনার পা হারানো সম্ভাবনা থাকে
কিভাবে চিকিৎসা করা যেতে পারে?
এনজিওপ্লাস্টিক
ধমনীর অবরুদ্ধ বা এর সংকীর্ণ অংশের ভিতরে একটি ছোট বেলুন ফুলিয়ে এটি প্রশস্ত করা হয়
আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্ট
এই প্রক্রিয়ায় আপনার শরীরের অন্য অংশ থেকে রক্তনালী নিয়ে বাইপাস তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
রোগের অবস্থা অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসার ভিন্নতা থাকে।
কারা ঝুঁকিতে থাকে?
- উচ্চ রক্তচাপ
- রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি
- ধূমপান বা তামাক
- ডায়াবেটিস
- স্থূলতা
- বয়স ৬০ বছরের উপরে
এই রোগ প্রতিরোধে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরী
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা ডক্টর অ্যাপার্টমেন্টের জন্য কল করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:01822-799777
Health Tips
হার্ট অ্যাটাক কি? উপসর্গ ও করণীয়
- বুকে তীব্র ব্যথা
- বুকে চাপ
- শ্বাসকষ্ট
যথাযথ চিকিৎসা না হলে মৃত্যু সহ হার্টের অন্যান্য জটিলতা হয়ে থাকে। হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর হার অন্যান্য রোগ থেকে অনেক বেশি। তবে তাৎক্ষণিক উপযুক্ত চিকিৎসার মাধ্যমে মৃত্যুর হার কমানো যায়।
এ রোগটি মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। হার্ট অ্যাটাকের ফলে হার্টের নির্দিষ্ট অংশের কার্যকারিতা কমে যায়।
হার্ট রোগের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা:
1. ইকো কালার ডপলার (Echo Color Doppler)
2. ই.টি.টি (ETT)
3. হার্টের ঝুঁকির কারণ ও বর্তমান অবস্থা নির্ণয়
4. রক্তের ঝুঁকি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (Cardiac Risk Identification)
ইমার্জেন্সি এবং স্পেশাল কার্ডিয়াক সেবাসমূহ:
- বুকে ব্যথা, হার্ট অ্যাটাক সহ অন্যান্য রোগের জরুরি ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা
- হার্ট অ্যাটাকের পর দ্রুততম সময়ে CAG ও Primary PCI (রিং স্থাপন) সুবিধা
- কৃত্রিম পেসমেকার (Pacemaker) আইসিডি (ICD), সিআরটি (CRT) স্থাপন ব্যবস্থা
- কৃত্রিম ভালভ এবং অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি (রিং স্থাপন)
- শরীরের অন্যান্য রক্তনালীর জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা (PAG) ও চিকিৎসা, হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে ব্যবস্থা
Diagnostic Tests
Patient Preparation for Endoscopy and Colonoscopy
You will need to have an empty stomach for 7/8 hours for the endoscopy exam.
Patient Preparation for Colonoscopy Diagnostic Tests
- Eat easily digestible food (rice, lentils, fish, etc.) and drink plenty of water two days before the exam.
- Stop eating meat, vegetables, and iron tablets.
- Take two Duralax tablets two days before the exam, morning and night, after meals, for a total of 4 tablets daily.
- On the day of the exam, drink 20% Osmosol 500ml and 5 liters of water slowly at 8 am on an empty stomach. If diarrhea starts, drink plenty of ORS (food saline). Apart from that, do not eat anything else.
- Some medicines will be required for Full Colonoscopy - which the patient will have to purchase on the day of the exam.
- Bring extra lungi/mexico/clothes.
রোগীর এন্ডোস্কোপি ডায়াগনস্টিক টেস্টের প্রস্তুতি
- এন্ডোস্কোপি পরীক্ষার জন্য আপনার ৭/৮ ঘন্টা খালি পেটে থাকতে হবে।
রোগীর কোলনোস্কোপি ডায়াগনস্টিক টেস্টের প্রস্তুতি
- পরীক্ষার দুই দিন আগে সহজে হজমযোগ্য খাবার (ভাত, ডাল, মাছ ইত্যাদি) খান এবং প্রচুর পানি পান করুন।
- মাংস, শাকসবজি এবং আয়রন ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করুন।
- পরীক্ষার দুই দিন আগে, সকালে এবং রাতে, খাবারের পরে দুটি করে ডুরালাক্স ট্যাবলেট খান, প্রতিদিন মোট ৪টি ট্যাবলেট।
- পরীক্ষার দিন, খালি পেটে সকাল ৮ টায় ২০% ওসমোসল ৫০০ মিলি এবং ৫ লিটার পানি ধীরে ধীরে পান করুন। যদি ডায়রিয়া শুরু হয়, তাহলে প্রচুর পরিমাণে ORS (ফুড স্যালাইন) পান করুন। তা ছাড়া, অন্য কিছু খাবেন না।
- পূর্ণ কোলনোস্কোপির জন্য কিছু ওষুধের প্রয়োজন হবে - যা রোগীকে পরীক্ষার দিন কিনতে হবে।
- অতিরিক্ত লুঙ্গি/ম্যাক্সি/কাপড় সাথে রাখুন।
Health Tips
After PCI: Essential Care Tips for Patients
স্টেন্টিং / পিসিআই পরবর্তী সময়ে রোগীদের জন্য পরামর্শ
- ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ বিশ্রামে থাকতে হবে। ধীরে ধীরে হালকা থেকে স্বাভাবিক কাজ শুরু করতে হবে।
- ১ম সপ্তাহে ঘরের মধ্যে হাঁটা-চলা করতে পারবেন।
- ২ থেকে ৩ সপ্তাহে হাঁটার পরিমাণ ও সময় বাড়াতে হবে। কোনো অসুবিধা না থাকলে ৩ সপ্তাহ পর দিনে ৩০–৪০ মিনিট হাঁটার চেষ্টা করতে হবে, যতটা রোগীর সামর্থ্য ও স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী হয়।
- ৬ সপ্তাহ পরে রোগী স্বাভাবিক কাজ করতে পারবেন। এমনকি হালকা গাড়িও চালাতে পারবেন।
- ভারী ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম সব সময় পরিহার করবেন।
- পেট ভরে খাওয়া যাবে না এবং খাওয়ার পর ভারী পরিশ্রম করা যাবে না।
- শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।
- চর্বিযুক্ত খাবার, যেমন: গরুর মাংস, ঘি, মাখন, যে সব তেল/চর্বি জমে যায়—তা পরিহার করতে হবে।
- ধূমপান, জর্দা, গুল/নেশা জাতীয় দ্রব্য বর্জন করতে হবে।
- দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ/পরিবর্তন করা যাবে না।
- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- বুকে ব্যথা হলে Glyceryl Trinitrate Spray (GTN Spray) জিহ্বার নিচে ২ চাপ/পাফ ব্যবহার করতে হবে।
Advice for Patients After Stenting / PCI
- Complete rest is advised for 4 to 6 weeks. Gradually return to light activities and then normal work.
- During the first week, light walking inside the home is allowed.
- From 2 to 3 weeks, gradually increase walking time and distance. If there is no discomfort, try to walk 30–40 minutes daily after 3 weeks, according to your physical ability and comfort.
- After 6 weeks, patients may resume normal activities and can even drive light vehicles if comfortable.
- Avoid heavy lifting and strenuous physical activities at all times.
- Do not eat to a full stomach, and avoid physical exertion immediately after meals.
- Maintain a healthy body weight.
- Avoid fatty foods, such as beef, ghee, butter, and foods rich in saturated fats.
- Quit smoking and avoid tobacco products, betel leaf, and all addictive substances.
- Try to remain stress-free and mentally relaxed.
- Do not stop or change medications without consulting your doctor.
- Keep blood pressure, diabetes, and kidney disease under proper control.
অ্যানজাইনা (বুকে ব্যথা জনিত) পরবর্তী সময়ে রোগীদের জন্য পরামর্শ
- ভারী ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম সব সময় পরিহার করবেন।
- পেট ভরে খাওয়া যাবে না এবং খাবার পরপরই শারীরিক পরিশ্রম করা যাবে না।
- শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- চর্বিযুক্ত খাবার যেমন—পশুর চর্বি, ঘি, মাখন এবং অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে।
- ধূমপান, জর্দা, গুল ও নেশাজাতীয় দ্রব্য সম্পূর্ণভাবে বর্জন করতে হবে।
- দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপমুক্ত থাকার চেষ্টা করতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ বন্ধ বা পরিবর্তন করা যাবে না।
- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- বুকে ব্যথা হলে Glyceryl Trinitrate Spray (GTN Spray) জিহ্বার নিচে ২ চাপ/পাফ ব্যবহার করতে হবে।
Advice for Patients After Angina
(Coronary Angiography / Chest Pain Evaluation)
Always avoid heavy and strenuous physical activities.
Do not overeat, and avoid physical exertion immediately after meals.
Maintain proper body weight control.
Avoid fatty foods, such as animal fat, ghee, butter, and foods rich in oil or saturated fat.
Quit smoking and avoid betel leaf, tobacco, and all addictive substances.
Try to remain stress-free and mentally relaxed.
Do not stop or change medications without your doctor’s advice.
Keep high blood pressure, diabetes, and kidney disease under strict control.
If chest pain occurs, use Glyceryl Trinitrate (GTN) Spray — apply 2 puffs under the tongue.
Diagnostic Tests
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে কোলপোস্কপি
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। কোলপোস্কপির মাধ্যমে জরায়ু মুখের সন্দেহজনক স্থান হতে ছোট কলা নিয়ে পরীক্ষা করে ক্যান্সারের পূর্ব অবস্থা সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৪ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং ৬,৫০০ জন মৃত্যুবরণ করেন। জরায়ু মুখের ক্যান্সারে ১৫–৪৫ বছর বয়সী নারীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) জরায়ু মুখের ক্যান্সারের একটি অন্যতম কারণ। তবে এটি একমাত্র কারণ নয়। যৌন সংসর্গের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে। সাধারণত উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের নারীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদাসীন বলে এদের মধ্যে এ রোগের বিস্তার বেশি।
ক্যান্সার আগে থেকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। ১০ বছর বয়স থেকে মেয়েরা জরায়ু মুখের ক্যান্সারের টিকা নিয়ে সারা জীবন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকতে পারে। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত চেক-আপ এর মাধ্যমে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের আগাম খবর নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব।
কোলপোস্কপি বা কোলপোস্কপি কী
কোলপোস্কপি হলো একটি শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ, যা দ্বারা জরায়ু মুখ ও যোনিপথের কোষ-কলা অনেক বড় আকারে দেখা যায়, ফলে খুব সহজে জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার-এর পূর্ব অবস্থা শনাক্ত করা যায়। আর এই পরীক্ষাটির নাম কোলপোস্কপি।
কোলপোস্কপি কেন করবেন?
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। কোলপোস্কপির মাধ্যমে জরায়ু মুখের সন্দেহজনক স্থান হতে ছোট কলা নিয়ে পরীক্ষা করে ক্যান্সারের পূর্ব অবস্থা সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।
কখন করা হয়
- জরায়ু মুখ ক্যান্সার-এর Screening test সমূহ: (Pap Smear, VIA, HPV DNA) পজিটিভ হলে
- সহবাসের পর স্বাভাবিক রক্তপাত হলে
- ঋতুচক্র ছাড়া জরায়ু মুখের কোনো স্থান অস্বাভাবিক / সন্দেহজনক মনে হলে
পরীক্ষার প্রস্তুতি
ঋতুস্রাব বা মাসিক অবস্থায় ছাড়া যেকোনো সময় কোলপোস্কপি করা যায়।
রিপোর্ট
টেস্টটি সম্পন্ন হওয়ার পর সাথে সাথেই ইমিডিয়েট রিপোর্ট দেওয়া হয়। তবে নমুনা সংগ্রহ করলে হিস্টোপ্যাথলজির রিপোর্ট পেতে ৩ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
Health Tips
Neurological Diseases and Their Symptoms
Stroke
- Numbness or weakness in limbs
- Face drooping on one side
- Blurred vision
- Slurred speech
Parkinson’s Disease
- Trembling hands
- Slow movement
- Dragging feet while walking
- Loss of balance
Encephalitis / Meningitis
- Fever
- Mental confusion
- Seizures
- Headache
Dementia
- Memory loss
- Difficulty in daily activities
- Behavioral changes
- Mood swings
Seizure / Epilepsy
- Convulsions
- Jerking of arms and legs
- Loss of consciousness
- Frothing from the mouth
Neuropathy
- Numbness in hands and feet
- Burning sensation
- Pain or tingling
- Difficulty walking
Peripheral Neuropathy
- Tingling in hands and feet
- Difficulty walking
- Loss of balance
- Pain sensation
স্নায়বিক রোগ এবং লক্ষণসমূহ
স্ট্রোক
- অঙ্গ অবশ হয়ে যাওয়া
- এক পাশে মুখ বেঁকে যাওয়া
- চোখে ঝাপসা দেখা
- কথা জড়িয়ে যাওয়া
পার্কিনসন ডিজিজ
- হাত কাঁপা
- ধীরে ধীরে চলাফেরা
- হাঁটতে গিয়ে পা টেনে হাঁটা
- ভারসাম্য হারিয়ে যাওয়া
ইনসেফালাইটিস/মেনিনজাইটিস
- জ্বর
- মানসিক পরিবর্তন
- খিঁচুনি হওয়া
- মাথাব্যথা
ডিমেনশিয়া
- স্মৃতিভ্রম
- দৈনন্দিন কাজে সমস্যা
- মানসিক পরিবর্তন
- আচরণগত পরিবর্তন
সিজার/এপিলেপসি
- খিঁচুনি হওয়া
- হাত পা ছোড়া
- জ্ঞান হারানো
- মুখ ফেনা ওঠা
নিউরোপ্যাথি
- হাত পা অবশ হয়ে যাওয়া
- জ্বালাপোড়া অনুভব
- ব্যথা বা ঝিঁঝিঁ ধরা
- হাঁটতে সমস্যা
পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি
- হাত পা ঝিনঝিনি
- হাঁটতে কষ্ট
- ভারসাম্য হারানো
- ব্যথা অনুভব
Diagnostic Tests
ফাইব্রোস্ক্যান কী? লিভার পরীক্ষার আধুনিক ও ব্যথামুক্ত পদ্ধতি
ফাইব্রোস্ক্যান কী?
ফাইব্রোস্ক্যান একটি অত্যাধুনিক যন্ত্র যা দিয়ে লিভারের ফাইব্রোসিস বা শক্ত হয়ে যাওয়ার মাত্রা নির্ণয় করা হয়। এটি একটি নন-ইনভেসিভ পদ্ধতি, অর্থাৎ এতে কোনো কাটাছেঁড়া বা ব্যথা হয় না। ফাইব্রোস্ক্যানের মাধ্যমে লিভারের ফাইব্রোসিসের অবস্থা খুব সহজে জানা যায়।
ফাইব্রোস্ক্যান কেন করা হয়?
লিভারের বিভিন্ন সমস্যায় ফাইব্রোস্ক্যান করা হয়ে থাকে, যেমন—
- ক্রনিক হেপাটাইটিস (বি, সি)
- ফ্যাটি লিভার
- লিভার সিরোসিস
- অ্যালকোহলজনিত লিভার ডিজিজ
- লিভারের ক্ষতির মাত্রা নির্ণয়
- চিকিৎসার ফলাফল পর্যবেক্ষণ করার জন্য
এইসব রোগের কারণে লিভারের লিভার স্টেফনেস হতে পারে বা লিভার টিস্যু শক্ত হয়ে যায় যা পরবর্তীতে সিরোসিসে রূপ নিতে পারে। সুতরাং এইসব রোগ হলে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষা করা যায়। লিভারের অবস্থা জানার জন্য যে কোন সুস্থ ব্যক্তি ও রুটিন পরীক্ষা হিসেবে ফাইব্রোস্ক্যান করাতে পারেন।
প্রস্তুতি
ফাইব্রোস্ক্যান করার আগে সাধারণত ২–৩ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হয়।
রিপোর্ট
পরীক্ষাটি সম্পন্ন হতে ১০ মিনিটের মতো সময় লাগে এবং রিপোর্ট সাধারণত সাথে সাথেই দেওয়া হয়।
ফাইব্রোস্ক্যানের সুবিধাগুলো কী কী?
- ব্যথামুক্ত পদ্ধতি, কোনো কাটা বা সেলাইয়ের প্রয়োজন হয় না
- খুব কম সময় লাগে (৫ থেকে ১০ মিনিট)
- নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য
- দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়
- গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জন্যও নিরাপদ
- বারবার করা যায়, কোনো ঝুঁকি নেই
- হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হয় না
- লিভারের ক্ষতির পরিমাণ নির্ভুলভাবে জানা যায়
- লিভার বায়োপসির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়
ফাইব্রোস্ক্যান কোথায় করা যায়?
পেটে প্রোব লাগানো হয় (এলাস্টোগ্রাফি)
Health Tips
Hot Water vs. Cold Water Bathing in Winter: Benefits and Key Differences
Hot water bathing in winter is widely preferred due to its soothing effect. Warm water helps relax muscles and joints, making it particularly beneficial for people experiencing stiffness, body aches, or arthritis during cold weather. It also improves blood circulation, which can provide temporary relief from fatigue and stress. Additionally, hot showers help open skin pores, allowing dirt and oil to be removed more effectively. However, excessive hot water bathing may dry out the skin, leading to irritation or itching, especially in winter when humidity levels are low.
On the other hand, cold water bathing in winter offers a different set of benefits. Cold water helps tighten skin pores, which can reduce moisture loss and support healthier skin. It also stimulates blood circulation and may boost alertness by activating the nervous system. Some studies suggest that cold showers can enhance immunity and improve mood by triggering the release of endorphins. Despite these advantages, cold water bathing may feel uncomfortable in winter and is not always suitable for individuals with respiratory issues, joint pain, or heart conditions.
In conclusion, both hot and cold water bathing have distinct benefits during winter. Hot water is ideal for relaxation and pain relief, while cold water supports skin health and mental alertness. Choosing the right option depends on personal health, tolerance, and comfort, with moderation being the key to maintaining balance and well-being.
Diagnostic Tests
Heart Checkup Test Name: Essential Tests to Keep Your Heart Healthy
- CBC
- FBS
- Total Bilirubin
- SGOT
- SGPT
- S. Creatinine
- Blood Urea
- Urine R/E
- ECG
- Lipid Profile (Fasting)
- Echo Cardiogram (2D)
- Grouping & RH Typing
- X-Ray Chest (P/A View)
- Uric Acid
- Rheumatoid Factor
- CRP
- Consultation
When Should You Go for a Heart Checkup?
- If you are over 30 years old
- If you have diabetes, high blood pressure, or high cholesterol
- If you smoke or lead a sedentary lifestyle
- If you have a family history of heart disease
- If you experience chest pain, shortness of breath, or fatigue
Final Tip from Doctor Dorkar
Heart disease is largely preventable with early detection and lifestyle changes. Regular heart checkups help you stay one step ahead and protect your future health.