Diagnostic Tests
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে কোলপোস্কপি
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। কোলপোস্কপির মাধ্যমে জরায়ু মুখের সন্দেহজনক স্থান হতে ছোট কলা নিয়ে পরীক্ষা করে ক্যান্সারের পূর্ব অবস্থা সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।
বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১৪ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং ৬,৫০০ জন মৃত্যুবরণ করেন। জরায়ু মুখের ক্যান্সারে ১৫–৪৫ বছর বয়সী নারীরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন।
হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) জরায়ু মুখের ক্যান্সারের একটি অন্যতম কারণ। তবে এটি একমাত্র কারণ নয়। যৌন সংসর্গের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটে। সাধারণত উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের নারীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদাসীন বলে এদের মধ্যে এ রোগের বিস্তার বেশি।
ক্যান্সার আগে থেকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। ১০ বছর বয়স থেকে মেয়েরা জরায়ু মুখের ক্যান্সারের টিকা নিয়ে সারা জীবন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকতে পারে। টিকা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত চেক-আপ এর মাধ্যমে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের আগাম খবর নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব।
কোলপোস্কপি বা কোলপোস্কপি কী
কোলপোস্কপি হলো একটি শক্তিশালী মাইক্রোস্কোপ, যা দ্বারা জরায়ু মুখ ও যোনিপথের কোষ-কলা অনেক বড় আকারে দেখা যায়, ফলে খুব সহজে জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার-এর পূর্ব অবস্থা শনাক্ত করা যায়। আর এই পরীক্ষাটির নাম কোলপোস্কপি।
কোলপোস্কপি কেন করবেন?
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। কোলপোস্কপির মাধ্যমে জরায়ু মুখের সন্দেহজনক স্থান হতে ছোট কলা নিয়ে পরীক্ষা করে ক্যান্সারের পূর্ব অবস্থা সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়।
কখন করা হয়
- জরায়ু মুখ ক্যান্সার-এর Screening test সমূহ: (Pap Smear, VIA, HPV DNA) পজিটিভ হলে
- সহবাসের পর স্বাভাবিক রক্তপাত হলে
- ঋতুচক্র ছাড়া জরায়ু মুখের কোনো স্থান অস্বাভাবিক / সন্দেহজনক মনে হলে
পরীক্ষার প্রস্তুতি
ঋতুস্রাব বা মাসিক অবস্থায় ছাড়া যেকোনো সময় কোলপোস্কপি করা যায়।
রিপোর্ট
টেস্টটি সম্পন্ন হওয়ার পর সাথে সাথেই ইমিডিয়েট রিপোর্ট দেওয়া হয়। তবে নমুনা সংগ্রহ করলে হিস্টোপ্যাথলজির রিপোর্ট পেতে ৩ দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
Reference:
জরায়ু মুখ ও যোনিপথের ক্যান্সার শনাক্ত করতে কোলপোস্কপি
More Health Tips:
Practical Health Advice & Medical Guidelines
Health Tips
Peripheral Arterial Disease (PAD)
আপনি কি নিচের কোনো উপসর্গে ভুগছেন?
- শারীরিক ক্রিয়াকালাপের সাথে পায়ে ব্যাথা যেমন হাঁটার সময় ব্যথা, যা বিশ্রামের পরে ভালো হয়ে যায়
- ত্বকের রঙের পরিবর্তন (যেমন লালচে ভাব)
- বিশ্রামকালীন সময়ে পায়ের আঙুলে ব্যথা অনুভব করা ও পায়ে জ্বালা করা
- পায়ের ত্বক শীতল হওয়া
- পায়ে প্রায়ই ত্বক এবং নরম টিস্যু সংক্রমণ হওয়া
- পায়ের পাতা বা আঙুল ফুলে যাওয়া ও তা সহজে ভালো না হওয়া
- পায়ের গোড়ালি বা আঙুলে ব্যথা (বিশেষ করে রাতে বা হাঁটার সময়)
- পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশ অনুভূতি
- পায়ে ঘা বা ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD)
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ হল এমন একটি অবস্থা যেখানে ধমনী সরু হয়ে বাহু বা পায়ে রক্ত প্রবাহকে কমিয়ে দেয়। PAD কে Arteriosclerosis Obliterans (ASO)ও বলা হয়। এটি প্রাথমিক ভাবে ধমনীতে ফ্যাটি প্লেক তৈরির কারণে ঘটে, যাকে এথেরোসক্লেরোসিস বলা হয়।
পায়ে রক্তে প্রবাহের সীমাবদ্ধতার কারণে এই উপসর্গ গুলো দেখা দিতে পারে। যদি সময়মতো এই অবস্থার চিকিৎসা না করা হয় তবে আপনার পা হারানো সম্ভাবনা থাকে
কিভাবে চিকিৎসা করা যেতে পারে?
এনজিওপ্লাস্টিক
ধমনীর অবরুদ্ধ বা এর সংকীর্ণ অংশের ভিতরে একটি ছোট বেলুন ফুলিয়ে এটি প্রশস্ত করা হয়
আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্ট
এই প্রক্রিয়ায় আপনার শরীরের অন্য অংশ থেকে রক্তনালী নিয়ে বাইপাস তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
রোগের অবস্থা অবস্থার উপর নির্ভর করে চিকিৎসার ভিন্নতা থাকে।
কারা ঝুঁকিতে থাকে?
- উচ্চ রক্তচাপ
- রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি
- ধূমপান বা তামাক
- ডায়াবেটিস
- স্থূলতা
- বয়স ৬০ বছরের উপরে
এই রোগ প্রতিরোধে জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরী
পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (PAD) সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বা ডক্টর অ্যাপার্টমেন্টের জন্য কল করুন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:01822-799777